ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে যা বললেন তসলিমা নাসরিন




ভারতের নাগরিকত্ব পেতে পারেন আলোচিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তার নাগরিকত্ব পাওয়ার আভাস পাওয়া গেছে দেশটির অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের কথায়।
সংবাদমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশের পর এর প্রতিক্রিয়ায় তসলিমা নাসরিন আজ সোমবার বিকেলে তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।
দৈনিক আমাদের সময় অনলাইনের পাঠকের জন্য তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলো...
‘বাজারে বলাবলি হইতাছে আমি নাকি ভারতের নাগরিকত্ব পাইয়াই যাইতাছি। অর্থমন্ত্রী বলছেন আমি পাইয়া গেছি নাগরিকত্ব। যদিও ভুল কইরা বলছেন। স্লিপ অব টাং।
বাট কথা হইলো কেমনে আমি পাবো নাগরিকত্ব। পাওয়ার রাস্তা তো দেখতাছি না।
দেখতাছি না, কারণ আমি তো অ্যাপ্লাইই করি নাই নাগরিকত্বের জন্য। তাইলে কেম্নে কী!
বছর বছর আমার রেসিডেন্স পারমিট বাড়াইলেই আমি খুশি। দুইদিনের দুনিয়ায় আমাদের দুইদিনের বসবাস। কী দরকার নাগরিক হওয়ার।
নাগরিক হইলে সুবিধা কী শুনি! আমি তো বাংলাদেশের নাগরিক, আমারে দেশ থেইক্যা বাইর কইরা দেয় নাই? আমি তো সুইডেনের নাগরিক, ওই দেশে থাকতেই তো আমি পছন্দ করি না। তাইলে?
রেসিডেন্স পারমিট থাকলেও তো ইচ্ছা না হইলে রিসাইড করতে দেয় না সরকার বাহাদুর। আমার তো ছেল রেসিডেন্স পারমিট। ভারতের যে কোনো স্থানে বাস করার অনুমতি ত ছেল। আমারে লাত্থাইয়া ভাগায় নাই কলিকাত্তা থেইকা? ভাগাইছে। “ইন্ডিয়া” থেইকাও ভাগাইছে। শুধু “ভারত” থেইকা ভাগাইতে পারে নাই। কারণ ওইখানে আমার মন পইড়া ছেল।
কী হইব নাগরকত্ব দিয়া? কিছুই না। আইজ আছি, কাইল নাই। আমার হইল যেইখানে রাইত, সেইখানে কাইত।
দুনিয়াডায় এক যাযাবর মুসাফির আমি। আমার মনটাই আমার ঘরবাড়ি। আর কী লাগে এক জীবনে?’
প্রসঙ্গত, ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে দেশটির অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের মুখে শোনা যায় লেখিকা তসলিমা নাসরিনের নাম। নতুন এই আইন ধর্মীয় বিভাজনমূলক নয়, এটা বোঝাতে তসলিমা নাসরিনের উদাহরণ টানলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার বক্তব্য, আদনান সামি, তসলিমা নাসরিনদের উদাহরণ দেখলেই বোঝা যাবে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন সৃষ্টিকারী নয়।




মুরগির কলিজার যত গুণাগুণ-কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় মুরগির কলিজা




গরু কিংবা খাসির কলিজা অনেকেরই পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে। কিন্তু মুরগির কলিজা নিয়ে কিছুটা দোটানা থেকেই যায়। মুরগির মাংসের মতো এর কলিজাও উপকারী? 
পুষ্টিবিদদের মতে মুরগির মাংসের তুলনায় এর কলিজার পুষ্টিগুণ কোনো অংশে কম নয়। এতে রয়েছে নানা রকম উপকারী ভিটামিন, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ফাইবার ইত্যাদি।  
ভিটামিন এ ও বি সমৃদ্ধ মুরগির কলিজা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। এটি মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বেশ উপকারী। কলিজাতে থাকে ফাইবার ও আয়রন যা শরীর ও হার্টের সুরক্ষায় কাজ করে। 
মুরগির কলিজার রয়েছে সেলেনিয়াম নামক একটি উপাদান যা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, বিভিন্ন সংক্রমণ ও গাঁটে ব্যথার মতো সমস্যাগুলো কমায় সেলেনিয়াম। নিয়মিত মুরগির কলিজা খেলে কৃমি সমস্যা থাকে নিয়ন্ত্রণে। 
পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির কলিজায় রয়েছে জিঙ্ক বা দস্তা যা সর্দি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এটি। 

মুরগির কলিজায় রয়েছে কোলাজেন ওইলাস্টিন। এটি আমাদের দেহে শিরা উপশিরায় রক্ত প্রবাহ সহজ ও স্বাভাবিক করে। যারা অপুষ্টিতে ভুগছেন তারা খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন এটি। এছাড়া দ্রুত ওজন বৃদ্ধিতে মুরগির কলিজার জুড়ি নেই। 
তবে উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের মুরগির কলিজা না খাওয়াই ভালো। কারণ, এটি শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ওজন কমাতে ইচ্ছুক হলেও এড়িয়ে যাবেন এটি। 



ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়, অন্যায় মানতে নারাজ মাহাথির






বিশ্বের ভোজ্য তেলের বৃহত্তম ক্রেতা ভারত চলতি মাসে মালয়েশিয়া থেকে পরিশোধিত পাম তেল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। তবে এর জবাবে ভারতের বিরুদ্ধে কোন বাণিজ্যিক ‘প্রতিশোধ’ নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।
আজ সোমবার সাংবাদিকদের মাহাথির বলেন, ভারতের পাম তেল কেনা বয়কটের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে মালয়েশিয়া ছোট একটি দেশ। বরং এ থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
এর আগে মাহাথির বলেছেন, ভারত মালয়েশিয়া থেকে পাম তেল কিনবে না, সে সম্পর্কে অবগত কুয়ালালামপুর। এছাড়া সেসময় মাহাথির জানান, তার দেশ আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হলেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলে যাবেন।
বিশ্বের ভোজ্য তেলের বৃহত্তম ক্রেতা ভারত চলতি মাসে মালয়েশিয়া থেকে পরিশোধিত পাম তেল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। ভারতের নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মাহাথির মোহম্মদের সমালোচনা করার জবাবে ভারত এমন পদক্ষেপ নেয়।
এছাড়া এর আগে মাহাথির মোহাম্মদ জাতিসংঘে দেওয়া এক বক্তৃতায় ভারত কাশ্মীরকে ‘আক্রমণ ও দখল’ করে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। 


-রয়টার্স, এনডিটিভি।